• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • সরকার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর : মাহদী আমিন 

     adminm 
    16th Jul 2026 10:57 am  |  অনলাইন সংস্করণ

    অনলাইন ডেস্ক:   দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক আকাক্সক্ষা পূরণ এবং জুলাই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন।

    তিনি বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় আসা বর্তমান বিএনপি সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও সেক্টরে নির্বাচনী ইশতেহারের মূল অঙ্গীকারগুলো ধরে-ধরে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত ‘ফল উৎসব-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ঐতিহাসিক ১৬ জুলাই ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি স্মরণ করে অনুষ্ঠানের শুরুতেই তিনি শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ ওয়াসিম আকরামসহ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে আত্মদানকারী সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচিত সরকারের বয়স প্রায় পাঁচ মাস হতে চললো। এই স্বল্প সময়েই প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে নির্বাচনী ইশতেহারের প্রধান-প্রধান বিষয়গুলো বাস্তবায়নের জন্য সবাই কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে। একটি বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’

    তিনি বলেন, ‘আমাদের রাজনৈতিক মত, পথ বা আদর্শ ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু দেশপ্রেম ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের একসাথে কাজ করে যেতে হবে। এই নতুন বাংলাদেশে সরকারের মূলনীতিই হচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। আমরা এমন এক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই, যার ভিত্তি হবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার।’

    মাহদী আমিন আরও বলেন, গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন সবচাইতে বেশি গুম, খুন, হামলা ও মামলার শিকার হয়েছে। সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে জনগণের পাশে থাকা এই দলটির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর গঠিত বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ আন্তরিক।

    সাংবাদিকদের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকরা হচ্ছেন জাতির দর্পণ। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যেভাবে আপনারা বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, ঠিক একইভাবে আজকের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতেও সত্য, সঠিক ও ন্যায়সঙ্গত বিষয়গুলো জাতির সামনে উপস্থাপন করতে হবে।’

    বাকস্বাধীনতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় দেশে সবচেয়ে বেশি গণমাধ্যমের পথচলা শুরু হয় এবং কোনো বাকস্বাধীনতা করা হয়নি।

    ডিআরইউ-এর সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম।

    অনুষ্ঠানে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র সদস্যদের প্রাতিষ্ঠানিক সংকটের স্থায়ী সমাধানে সংগঠনটির নতুন ভবনের জন্য দ্রুত জায়গা বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন।

    তিনি বলেন, ডিআরইউ’র পক্ষ থেকে নতুন একটি বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, তবে এখনো চূড়ান্ত জায়গা বরাদ্দ না পাওয়ায় পেশাদার সাংবাদিকদের জন্য এই প্রকল্পের কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

    সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, গণমাধ্যমকে চতুর্থ স্তম্ভ বলা হলেও সংবিধানে এর প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি নেই। অন্যান্য পেশাজীবীদের মতো সাংবাদিকদের কল্যাণে রাষ্ট্র কখনো দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করেনি।

    ঐতিহ্যবাহী ফল উৎসবের উদ্দেশ্য তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই প্রতিবছর ডিআরইউ এই আয়োজন করে, যার মূল লক্ষ্য নতুন প্রজন্মের কাছে দেশীয় ফলগুলোকে পরিচিত করানো।

    এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ডিআরইউ’র কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    Array
    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর