• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • প্রায় ৬ লক্ষ টাকা মূল্যমানের ১৯.৫ কেজি গাঁজা’সহ ০৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ 

     adminm 
    11th Jun 2026 2:04 pm  |  অনলাইন সংস্করণ

    বিশেষ প্রতিনিধি (ক্রাইম) সুমন শাহ্ : র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। মাদকদ্রব্যের ভয়াল ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষার লক্ষ্যে র‌্যাবের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বিপুল গাঁজা’সহ মাদক চক্রের ০৪ (চার) জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।

    গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গত ০৯/০৬/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ১৯.৫০ ঘটিকার সময় ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন বদরপুর এলাকায় ফরিদপুর টু মাগুরাগামী মহাসড়কের উপর একটি অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপনপূর্বক সন্দেহজনক বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশী করে একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে ১০.৫ কেজি (দশ কেজি পাঁচশত গ্রাম) গাঁজা, যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৩,১৫,০০০/- (তিন লক্ষ পনেরো টাকা), সহ ০২ (দুই) জন ব্যক্তিকে আটক করে। আটককৃত ব্যক্তিদের নাম ১। মোস্তফা কামাল (২৭), পিতা- মৃত সেকান্দার আলী ও ২। মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২৬), পিতা- আক্তার হোসেন উভয় সাং- উত্তর মিলনপুর, থানা- দিঘীনালা, জেলা- খাগড়াছড়ি বলে জানা যায়।

    অপর আরেকটি অভিযানে র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গত ১০/০৬/২০২৬ তারিখ ভোর অনুমান ০৫.৪৫ ঘটিকায় ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানাধীন বেল্লাকান্দি এলাকায় একটি অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে ০৯ (নয়) কেজি গাঁজা, যার আনুমানিক বাজার মূল্য ২,৭০,০০০/- (দুই লক্ষ সত্তর হাজার), সহ ০২ (দুই) জন ব্যক্তিকে আটক করে। আটককৃত ব্যক্তিদের নাম ১। মোঃ মনির হোসেন @ রুবেল (২৬), পিতা- মোঃ হাফিজ উদ্দিন ও ২। মোঃ আমির হোসেন (২৪), পিতা- আব্দুল গনি, উভয় সাং-উত্তর মিলনপুর, থানা-দিঘীনালা, জেলা-খাগড়াছড়ি বলে জানা যায়।

    প্রকাশ থাকে যে, আটককৃত ব্যক্তিরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা হতে অবৈধভাবে গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে ফরিদপুর ও মাগুরা জেলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। উদ্ধারকৃত মাদকসহ আটককৃত ব্যক্তিদ্বয়ের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর লক্ষ্যে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    মাদক সমাজের সবচেয়ে ভয়াবহ বিষফোঁড়া। এটি আমাদের যুব সমাজকে ধ্বংস করছে, পরিবারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। র‌্যাব দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, “মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স” নীতির বাস্তবায়ন ছাড়া সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন সম্ভব নয়। র‌্যাব-১০ মাদক নির্মূল অভিযানে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    Array
    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর