• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • শিক্ষক ও অভিভাবকের সাহসিকতায় থামল ওরেগনের স্কুলে বন্দুকধারীর তাণ্ডব 

     adminm 
    17th Oct 2026 10:50 am  |  অনলাইন সংস্করণ

    অনলাইন ডেস্ক:   যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যের একটি স্কুলে গুলি চালিয়ে তিন শিশু ও এক শিক্ষককে হত্যাকারী কিশোর ওই স্কুলের সাবেক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী ছিল। শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে হামলার তাণ্ডব দ্রুত থামাতে এগিয়ে আসা ব্যক্তিদের সাহসিকতার প্রশংসা করেছে পুলিশ।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    পুলিশ শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, বৃহস্পতিবার সিলভার রেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেয়াল বা বেড়া টপকে ঢোকার চেষ্টা করার সময় বন্দুকধারীকে প্রথম বাধা দেন এক গাড়িচালক। পরে তিনিই পুলিশকে জানান। হামলাকারীর নাম গ্রিফিন জন দ্বিতীয়। তার বয়স ১৬ বছর।

    পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই জন পাম্প-অ্যাকশন পদ্ধতির ১২-গেজ শটগান দিয়ে স্কুলের তালাবদ্ধ দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকে। এরপর সে সরাসরি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে যায়।

    সেখানে গুলি চালিয়ে পাঁচ বছর বয়সী রোয়াম সামার, আট ও ১১ বছর বয়সী দুই বালক এবং ২৫ বছর বয়সী শিক্ষক মেগান ল্যামবার্টকে হত্যা করে।

    হামলায় আরও এক শিশু ও এক শিক্ষক আহত হয়। এ সময় আরেক নারী শিক্ষক নিজের মুঠোফোনটি জনের দিকে ছুড়ে মারেন এবং তার কাছ থেকে শটগানটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।

    বেন্ড পুলিশের প্রধান মাইক ক্রান্টজ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

    ঠিক সেই মুহূর্তে দুই মেয়ের বাবা, ৩৬ বছর বয়সী কেলুব জিয়ামানকো ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তিনি ওই স্কুলে পড়ুয়া দুই মেয়ের বাবা। আইনগতভাবে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অনুমতি ছিল তার।

    ক্রান্টজ বলেন, ‘তিনি গুলির শব্দ শুনে সেখানে যান এবং দেখেন, একজন শিক্ষক সন্দেহভাজন হামলাকারীর সঙ্গে শারীরিকভাবে লড়াই করছেন। এরপর তিনি নিজের আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি চালান এবং হামলাকারীকে একাধিকবার আঘাত করেন।’

    পুলিশপ্রধান আরও বলেন, ‘অন্যদের রক্ষায় কেউ যখন নিজের জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলতে প্রস্তুত হন, তখন আমরা তার সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি দিই। নিজের শিক্ষার্থীদের রক্ষায় যে শিক্ষিকা সামনে দাঁড়িয়ে হামলাকারীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন, তা সত্যিই অবিশ্বাস্য।’

    ‘এটাই প্রকৃত বীরত্ব। সমাজে এমন ঘটনা আমরা খুব বেশি দেখি না।’

    জিয়ামানকোর মা স্থানীয় ফক্স টেলিভিশন চ্যানেলকে বলেন, ছেলেকে নিয়ে তিনি ‘খুব গর্বিত’। তার ভাষায়, ছেলে ‘একজন প্রকৃত বীর’।

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও জিয়ামানকোর সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন।

    সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘এটি ভয়াবহ ঘটনা। তবে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন, যার কাছে বন্দুক ছিল এবং যিনি সেটি ব্যবহার করতে জানতেন।’

    Array
    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর