• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় জোরালো সমর্থনের প্রতিশ্রুতি জাপানের 

     adminm 
    27th Oct 2026 3:06 pm  |  অনলাইন সংস্করণ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। তিনি বাংলাদেশকে গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের মতো অভিন্ন মূল্যবোধে বিশ্বাসী বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করে জাতীয় উন্নয়নে তারেক রহমান সরকারের প্রচেষ্টার প্রতি জাপানের জোরালো সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের জাপান সফরের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার টোকিওতে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    বৈঠকের পর নিজের অফিসিয়াল ‘এক্স’ অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তাকাইচি লেখেন, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের মতো অভিন্ন মূল্যবোধের অংশীদার বন্ধু হিসেবে প্রধানমন্ত্রী রহমানকে তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের জন্য ব্যক্তিগতভাবে অভিনন্দন জানাতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।

    জাপানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বাংলাদেশ সরকারের জাতি গঠনমূলক উদ্যোগগুলোকে জাপান দৃঢ়ভাবে সমর্থন করবে।

    তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত রহমান প্রশাসনের জাতি গঠনমূলক প্রচেষ্টাকে জাপান জোরালো সমর্থন দেবে।’

    বৈঠকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রতি জাপানের স্বীকৃতি এবং নতুন সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা আরও গভীর করার আগ্রহের বিষয়টি উঠে আসে।

    তাকাইচি বলেন, ‘মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিক’ অঞ্চল গড়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জাপানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। একই সঙ্গে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে সংযুক্তকারী বাংলাদেশের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

    দুই নেতা ‘বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট’ বা ‘বিগ-বি’ উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন। এই উদ্যোগকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার অন্যতম মূল ভিত্তি হিসেবে দেখা হয়।

    দুই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উদ্যোগটিকে ‘শেয়ারিং প্রসপারিটি বিগ-বি’ নামে একটি নতুন কৌশলগত সহযোগিতা কাঠামোয় উন্নীত করা হবে।

    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন তাকাইচি। তিনি বাংলাদেশকে ১৭ কোটি মানুষের একটি বিশাল ও তরুণ জনগোষ্ঠীর বাজার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, দেশটি জাপানের অর্থনীতির জন্য ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

    তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়াকে সংযুক্তকারী বাংলাদেশ জাপানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

    দুই নেতার আলোচনার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তাকাইচি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করেছেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপরই জাপান যে স্বীকৃতি দিয়েছিল, তারও প্রশংসা করেছেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে জাপানের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং জাপানকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি বিশেষ অংশীদার হিসেবে অভিহিত করেন।

    তাকাইচির ভাষ্যমতে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের প্রতি জাপানের অবিচল সমর্থনের কথাও স্বীকার করেন।

    জাপানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশ তাদের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।

    শীর্ষ সম্মেলনের পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।

    তাকাইচি লেখেন, “আমাদের দুই দেশের ‘কৌশলগত অংশীদারিত্বের’ আওতায়—এবং আজ ঘোষিত ‘নেতৃবৃন্দের যৌথ বিবৃতি’র আলোকে—আমরা সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের উদ্যোগের মাধ্যমে একসঙ্গে কাজ করবো।”

    ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও অভিন্ন সমৃদ্ধি এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তাকাইচি।

    তিনি বলেন, ‘ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে আমি প্রধানমন্ত্রী রহমানের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করবো।’

    দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠক বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক আরও জোরদারের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বৈঠকে উভয় নেতা অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতি তাদের অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    Array
    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর