• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য: তিতুমীর 

     adminm 
    06th Jun 2026 11:38 am  |  অনলাইন সংস্করণ

    অনলাইন ডেস্ক:   বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সরকার নতুন অর্থনৈতিক মডেল নিয়ে কাজ করছে, যার লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা।

    এ লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রশাসনিক সংস্কার, শিল্প পুনরুজ্জীবন ও কৃষি খাতের দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরের ওপর জোর দিয়েছে সরকার।

    শনিবার রাজধানীর সিরডাপ আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টারে ‘সংকট মুহূর্তের বাজেট ২০২৬-২৭’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

    অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চরচা ডটকম এ আলোচনার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি।

    রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, সরকারের দর্শন হলো ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল যাতে সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে যায়, সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই নতুন অর্থনৈতিক কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, অর্থনীতিকে টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে হলে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো, দেশীয় ও রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি, ব্যবসাবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন ও প্রশাসনিক সংস্কার জরুরি।

    উপদেষ্টা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আবার উৎপাদনে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার পুনর্গঠন প্যাকেজ নিয়ে কাজ করছে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উৎপাদনশীল খাতের সম্প্রসারণেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    কৃষি খাতের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, শুধু ভর্তুকি নয়, কৃষিকে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের পথে নিতে হবে। এ জন্য পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ প্রয়োজন।

    স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের ব্যয়ের কার্যকারিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিতুমীর।

    এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এ সব খাতে ব্যয় বাড়ানোর পাশাপাশি সেবার মান ও প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে। তৃণমূল পর্যায়ে সরকারি সেবার বিস্তারও জরুরি।

    গোলটেবিল আলোচনায় এপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিম মঞ্জুর বলেন, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ ও বেসরকারি খাতের বিকাশে কর কাঠামোয় সংস্কার প্রয়োজন।

    তিনি বর্তমান ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ করপোরেট কর কমিয়ে ২০ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি নীতিগত স্থিতিশীলতা, কর প্রশাসনের আধুনিকায়ন ও বিমানবন্দরের গুদাম ব্যবস্থার উন্নয়নের আহ্বান জানান।

    গবেষক ও অধিকারকর্মী মাহা মির্জা কৃষি খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে, কৃষিতে আরও বেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন।

    তিনি কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষি অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    আলোচনায় অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ স্থবিরতা, কর্মসংস্থানের চাপ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে আগামী বাজেটকে বাস্তবমুখী ও সংস্কারমুখী হতে হবে।

    কর প্রশাসনের আধুনিকায়ন, উৎপাদনশীল বিনিয়োগ বৃদ্ধি, আর্থিক খাতের সুশাসন ও দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ওপরও তারা গুরুত্ব দেন।

    আলোচনায় আরও অংশ নেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাশরুর রিয়াজ, সাবেক অর্থসচিব মুসলিম চৌধুরী, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, আইসিএমএবি সভাপতি কাউসার আলম ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের ডিন ড. এ কে এম ওয়ারেসুল করিম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন চরচার সম্পাদক সোহরাব হাসান।

    Array
    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর