• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নের শুরু 

     adminm 
    13th Jun 2026 10:20 am  |  অনলাইন সংস্করণ

    খেলাধুলা ডেস্ক: ফোলারিন বালোগুনের জোড়া গোল এবং জিও রেইনার দারুণ কার্লিং শটে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র শুক্রবার লস অ্যাঞ্জেলেসে প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করে দুর্দান্ত সূচনা করেছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিকরা মাত্র সাত মিনিটের মধ্যেই আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায়। প্রথমার্ধ শেষে তারা ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে ভাসায়।

    ৭০,৪৯২ দর্শকে পরিপূর্ণ স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন হলিউড তারকা টম ক্রুস, লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও ও প্যারিস হিল্টন। মেক্সিকো ও কানাডার সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজনকারী যুক্তরাষ্ট্র পুরো ম্যাচজুড়ে দক্ষিণ আমেরিকান প্রতিপক্ষের ওপর একের পর এক আক্রমণ চালায়। ম্যাচের যোগ করা সময়ে রেইনা চতুর্থ গোলটি করেন, এর আগে মরিসিও প্যারাগুয়ের হয়ে একটি গোল শোধ করেন।

    এই বড় জয় যুক্তরাষ্ট্রকে গ্রুপ ‘ডি’ থেকে পরবর্তী পর্বে ওঠার পথ মসৃন করেছে। একই গ্রুপে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও তুরষ্ক।

    তবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একমাত্র দুশ্চিন্তার বিষয় ছিল বিরতির সময় ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিচের মাঠ ছেড়ে যাওয়া। দলের এই আক্রমণভাগের প্রধান তারকার কাঁধেই দেশের বড় প্রত্যাশা, কারণ ২০০২ সালের কোয়ার্টার ফাইনালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অনেক দুর যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে খেলছে যুক্তরাষ্ট্র।

    ম্যাচের শুরু থেকেই প্যারাগুয়ে স্বাগতিকদের জন্য কাজ সহজ করে দেয়। সপ্তম মিনিটে ওয়েস্টন ম্যাককেনি মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে এগিয়ে পুলিসিচকে পাস দেন। পুলিসিচ দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে আবার বল ফেরত দেন ম্যাককেনিকে। এরপর তার পাস থেকে স্ট্রাইকার বালোগুনের দিকে যাওয় বল দুর্ভাগ্যজনকভাবে নিজের জালে জড়িয়ে দেন ডামিয়ান ববাদিয়া। এই গোলে পুরো স্টেডিয়াম উল্লাসে ফেটে পড়ে এবং শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের ঝড়।

    স্বাগতিকরা ছিল আত্মবিশ্বাসে ভরপুর। ম্যাককেনি ও টিলম্যান দুজনেই চমৎকার ব্যাকহিল পাসে সুযোগ তৈরি করেন। অধিনায়ক টিম রিম রক্ষণভাগ থেকে নিখুঁত লম্বা পাস দিয়ে খেলায় ছন্দ আনেন।

    ২৮তম মিনিটে বালোগুন একটি গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। আক্রমণ কারর সময় পুলিসিচও অফসাইডে ছিলেন।

    তবে মাত্র তিন মিনিট পরই বালোগুন আবার জালে বল পাঠান। বাম প্রান্ত দিয়ে অ্যান্টনি রবিনসনের অসাধারণ পাস থেকে পুলিসিচ বল পান এবং তার ক্রস সামান্য ডিফ্লেকশন হয়ে বালোগুনের কাছে পৌঁছে যায়, যিনি সহজেই গোল করেন।

    প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র তৃতীয় গোলও পেয়ে যায়। টিলম্যানের পাসে ডান দিক দিয়ে এগিয়ে বালোগুন ওমার আলদেরেতের ট্যাকল এড়িয়ে যান, পরে গুস্তাভো গোমেজকে কাটিয়ে বাম দিকের ওপরের কোণায় নিখুঁত শটে বল জড়ান।

    স্কোরলাইন আরও বড় হতে পারত। ইনজুরি থেকে ফেরা ক্রিস রিচার্ডসের একটি হেড অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়। প্রথমার্ধে বলের দখল ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ৭৫ শতাংশ।

    দ্বিতীয়ার্ধে পুলিসিচকে ছাড়াই খেলতে হয় স্বাগতিকদের, ফলে তারা কিছুটা রক্ষণাত্মক হয়ে যায়। এ সময় প্যারাগুয়ে প্রথমবারের মতো আক্রমণাত্মক হুমকি তৈরি করে। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি থাকা সত্ত্বেও মাঠে নামা ফরোয়ার্ড হুলিও এনসিসো বক্সের সামনে বল পেয়ে বদলি খেলোয়াড় মরিসিওকে পাস দেন, যিনি একটি গোল শোধ করেন।

    তবে ম্যাচের শেষদিকে জিও রেইনা ডান পায়ের  অসাধারণ এক শট নেন, যা বাঁক খেয়ে দূরের পোস্টের ভেতর দিয়ে জালে জড়ায়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ৪-১ গোলের জয় নিশ্চিত হয়।

    Array
    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর