• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • আইসিই’র প্রধান পদে ওকলাহোমার সাবেক স্টেট ট্রুপারকে মনোনয়ন ট্রাম্পের 

     adminm 
    28th Jun 2026 9:53 am  |  অনলাইন সংস্করণ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইসিই)’র পরবর্তী পরিচালক হিসেবে ওকলাহোমার সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ল্যান্স শ্রয়ারকে মনোনয়ন দিয়েছেন।

    শনিবার তিনি এ ঘোষণা দেন।

    ট্রাম্প বলেন, ল্যান্স শ্রয়ার একজন সাবেক স্টেট ট্রুপার ও যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন বাহিনীর সদস্য। তিনি ‘সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধীদের গ্রেফতারে’ কয়েক দশকের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন।

    ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    শ্রয়ার আইসিই’র ভারপ্রাপ্ত পরিচালক টড লায়ন্সের স্থলাভিষিক্ত হবেন। ২০২৫ সালের মার্চে লায়ন্স এ দায়িত্ব পান। তবে তৎকালীন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েমকে বরখাস্ত করার কয়েক সপ্তাহ পর গত মে মাসে তিনি পদ ছাড়েন।

    কয়েক মাস আগে ট্রাম্পের গণনির্বাসন অভিযান যখন সবচেয়ে দৃশ্যমান ও বিতর্কিত পর্যায়ে ছিল, তখন লায়ন্স, নোয়েম ও কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার কন্ট্রোলের সাবেক প্রধান গ্রেগরি বোভিনো ছিলেন এর প্রধান মুখ।

    নোয়েমের উত্তরসূরি মার্কওয়েন মুলিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে বলেন, আইসিই’র প্রস্তাবিত নতুন প্রধান ইতোমধ্যেই এ অভিযান পরিচালনায় ভূমিকা রেখে আসছেন।

    তিনি বলেন, ‘ল্যান্স সরাসরি মাঠপর্যায়ের দায়িত্ব থেকে আসছেন। সেখানে তিনি বৃহৎ পরিসরের অভিযান পরিচালনা করেছেন এবং ওকলাহোমা থেকে অবৈধ অভিবাসীদের সরিয়ে দিতে অঙ্গরাজ্য ও ফেডারেল অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করেছেন।’

    ফেডারেল সংস্থার প্রধান হিসেবে মনোনীত ব্যক্তিদের সাধারণত সিনেটের অনুমোদন পাওয়ার কথা। তবে ২০১৭ সালের পর থেকে আইসিই’র কোনো পরিচালক সিনেটের অনুমোদন পাননি। এরপর থেকে সংস্থাটির প্রধানরা ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবেই দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

    মুলিন এক্স-এ লিখেছেন, ‘হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগে সিনেটের অনুমোদন পাওয়া আইসিই পরিচালক নেই ১১ বছর ধরে। সিনেটের উচিত দ্রুত ল্যান্স শ্রয়ারকে অনুমোদন দেওয়া।’

    অনেক মার্কিন নাগরিক ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী অভিযানকে অতিরিক্ত কঠোর বলে মনে করেন। উত্তরাঞ্চলীয় শহর মিনিয়াপোলিসে অভিযানবিরোধী বিক্ষোভের সময় ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিক রেনি গুড ও অ্যালেক্স প্রেট্টি নিহত হওয়ার পর এ বিতর্ক আরও তীব্র হয়।

    অভিবাসীদের বহিষ্কার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

    Array
    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর