• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুলেছে উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা 

     adminm 
    26th Aug 2026 9:41 am  |  অনলাইন সংস্করণ

    যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্রের তালিকা থেকে সিরিয়ার নাম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা।

    তিনি মঙ্গলবার বলেছেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সিরিয়া বহু বছরের একটি ‘কালো দাগ’ থেকে মুক্ত হলো এবং দেশের উন্নয়ন ও পুনর্গঠনের নতুন পথ খুলে গেল।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    শারা এক ভাষণে বলেন, ‘আজ সিরিয়া একটি কালো দাগ ঝেড়ে ফেলেছে এবং তার অতীতের একটি বেদনাদায়ক অধ্যায় পেছনে ফেলে উন্নয়ন, পুনর্গঠন ও পুনর্নির্মাণের পথে যাত্রা শুরু করেছে।’

    সোমবার ওয়াশিংটন কয়েক দশক ধরে বহাল থাকা সিরিয়ার এই তকমা প্রত্যাহার করে। এর ফলে দেশটির ওপর আরোপিত কঠোর অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ শিথিলের পথ তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালে দীর্ঘদিনের সিরীয় শাসক বাশার আল-আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও সিরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উষ্ণ হওয়ার ধারাবাহিকতায় এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    একই সঙ্গে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে।

    শারা বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এবং আমাদের পাশে থাকা সব বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগী দেশকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’

    যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আল-নুসরা ফ্রন্টের ওপর থাকা বৈশ্বিক সন্ত্রাসী সংগঠনের তকমাও প্রত্যাহার করেছে। সংগঠনটি পরবর্তীতে হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস) নামে পরিচিত হয়।

    শারা একসময় এই সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ২০২৪ সালে বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করা দ্রুতগতির সামরিক অভিযানে এইচটিএস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    আল-নুসরা ফ্রন্ট আগে সিরিয়ায় আল-কায়েদার শাখা হিসেবে কাজ করত। তবে ২০১৬ সালে সংগঠনটি আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে।

    সিরিয়ার নতুন সরকার দেশটির অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং অবকাঠামো পুনর্গঠনের জন্য বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা করছে। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা গৃহযুদ্ধে দেশের অবকাঠামোর বড় অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্র জুলাই মাসেই সিরিয়াকে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্রের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল। সে সময় এই পদক্ষেপকে শারার সরকারের প্রতি আস্থার প্রকাশ হিসেবে দেখা হয়।

    সোমবারের সিদ্ধান্তকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সিরিয়ার জন্য ‘সমৃদ্ধির পথ’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

    তিনি বলেন, এই পদক্ষেপ ‘সিরিয়ায় বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে থাকা শেষ বড় বাধাগুলো দূর করবে এবং দেশটির অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে পুনঃএকীভূত হওয়ার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেবে।’

    সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি ওয়াশিংটনের তালিকা থেকে সিরিয়ার নাম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত ‘আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি নতুন সিরীয় রাষ্ট্রের অঙ্গীকার’ প্রতিফলিত করে।

    সরকারি সংবাদ সংস্থা সানা জানিয়েছে, অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ বারনিয়েহ এই পদক্ষেপকে ‘সিরীয় কূটনীতির সাফল্য’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

    তিনি বলেন, এই পদক্ষেপ ‘সিরিয়াকে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করা, বিনিয়োগ ও আধুনিক প্রযুক্তি আকর্ষণ এবং উন্নয়নের সুযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে দীর্ঘপ্রতীক্ষিত একটি বড় দরজা খুলে দিয়েছে।’

    Array
    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর