• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির 

     adminm 
    14th Sep 2026 10:44 am  |  অনলাইন সংস্করণ

    অনলাইন ডেস্ক:  বাংলাদেশের শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা বৃদ্ধি ও দু’দেশের মধ্যকার ব্যবসা ও বিনিয়োগ আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    আজ বঙ্গভবনে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে তিনি এ আহ্বান জানান।

    রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলমের স্বাক্ষর করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    সাক্ষাতকালে সারাহ কুক রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের পক্ষ থেকে একটি অভিনন্দনপত্র হস্তান্তর করেন।

    রাষ্ট্রপতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনপত্রের জন্য রাজা তৃতীয় চার্লসের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনারের মাধ্যমে রাজার প্রতি শুভেচ্ছা পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানান।

    এ সময় তিনি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও সম্প্রসারণ, কমনওয়েলথ-এর শিক্ষাবৃত্তি বৃদ্ধি, দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং শিক্ষা ও প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেন।

    তিনি বলেন, ব্রিটেনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা ব্রিটেন ও বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধন জোরদার ও উন্নয়নে অনেক অবদান রাখছেন। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি কমনওয়েলথের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর উন্নয়ন ও অভিন্ন স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

    রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আবার গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে। এ ধারাকে আরও শক্তিশালী করতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জনপ্রতিনিধিদের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন ।

    এ সময় ওয়েস্টমিনিস্টার পদ্ধতির গণতন্ত্র চর্চায় যুক্তরাজ্যের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ, পারস্পরিক সফর ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেন।

    এ সময় হাইকমিশনার জানান, তৈরি পোশাকসহ বাংলাদেশের প্রায় ৯৯.৯৯ শতাংশ পণ্য এলডিসি থেকে উত্তরণের পর আরো তিন বছর যুক্তরাজ্যের বাজারে শুল্কমুক্ত অবাধ প্রবেশাধিকার সুবিধা পাবে। রাষ্ট্রপতি এ সুবিধাকে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

    ব্রিটিশ হাইকমিশনার বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ডিজিটাল ক্লাইমেট ডাটা বিনিময়ের উদ্যোগের বিষয়েও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। দুই দেশের মধ্যে আবহাওয়া ও জলবায়ু-সংক্রান্ত তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্বাভাস আরও নির্ভুল করা এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে এ উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

    সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব, প্রেস সচিব, ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার ও উন্নয়ন পরিচালক, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    Array
    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর